চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ও সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসীন কলেজ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় তিনটি মামলা দায়ের করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আটক ৮২ জনের মধ্যে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে বুধবার রাতে ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় মামলা তিনটি দায়ের করেন। অবশিষ্ট ৪৭ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এস এম তানভীর আরাফাত বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তানভীর আরাফাত বলেন, দুই কলেজ থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় চকবাজার থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল মোনাফ বাদী হয়ে চট্টগ্রাম কলেজ শিবিরের সভাপতি ও সেক্রেটারিসহ ২১ জনের নামে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকারি মুহসীন কলেজ থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল মিয়া বাদী হয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন। অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া নয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় আটক ওই ৯ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ২টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম কলেজে অভিযান চালিয়ে চীনের তৈরি একটি একে-২২ রাইফেল, একটি ম্যাগজিন ও ৬১ রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগজিনসহ কাটা রাইফেল, দুটি ম্যাগজিনসহ পিস্তল, একটি এলজি, একটি দোনলা বন্দুক, তিনটি একনলা বন্দুক, ২৫টি লাল রঙয়ের কার্তুজ, দুটি রাইফেলের গুলি, একটি পিস্তলের গুলি, চারটি রকেট প্লেয়ার, একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা ও দুটি সাঈদীর মুক্তি চেয়ে লেখা কাপড়ের ব্যানার উদ্ধার করা হয়।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযানে মুহসীন কলেজ থেকে উদ্ধার করা ককটেল তৈরির সরঞ্জামের মধ্যে আছে সাদা ও কমলা রঙয়ের দুই কেজি গানপাউডার, ছোট পেরেক, বেয়ারিংয়ের গুঁটি, তিনটি ব্লেন্ডার মেশিন, পাঁচটি কিরিচ, দুই বস্তা কাঁচের বোতল ও মোজাইক পাথর প্রভৃতি।
জেআই





