প্রতিবন্ধী তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে কর্মরত এক আনসার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশের রমনা জোনের সহকারী কমিশনার ইহসানুল ফেরদাউস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে প্রাথমিকভাবে তিনি গ্রেফতারকৃতের নাম জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে যে ৬ আনসার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছিল তাদের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যাদের ক্লোজড করা হয়েছে তাদের সবাইকে খুঁজছে পুলিশ। ক্লোজড করার পর সবাই পালিয়ে যায় বলে জানান পুলিশের সহকারী কমিশনার  ইহসানুল ফেরদাউস।

ধর্ষণের অভিযোগে বুধবার ঢামেক হাসপাতালে কর্মরত যে আনসার সদস্যদের ক্লোজড করা হয়েছে তারা হলো- এপিসি একরামুল, আমিনুল, আতিকুর, সিরাজ, বাবুল ও মিনহাজ।

শাহবাগ থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানিয়েছেন, ওই তরুণীকে থানায় আনা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মেডিকেল সূত্র জানায়, ধর্ষণের শিকার হওয়া তরুণীটির গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার হোমনায়।

ওই তরুণীর ভাই জানান, ‘আমার বোন খুব মেধাবী ছিল। নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে মাঝে মাঝে সে বাড়ি থেকে কয়েক দিনের জন্য নিখোঁজ হয়ে যায়।

এবার ১০-১২ দিন আগে সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। মঙ্গলবার ঢামেক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফোন পেয়ে আজ (বুধবার) ঢাকায় এসেছি।’

সূত্র জানায়, গত ২৭ অক্টোবর রাতে বহির্বিভাগে দায়িত্বরত আনসারদের একজন ওই তরুণীকে হাসপাতালের একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ৬ জন আনসার সদস্য পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ওই কক্ষ থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়।

২৯ অক্টোবর কামাল নামে এক ব্যক্তি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তাকে ওসিসির সংরক্ষিত শয্যায় পাঠানো হয়।

এমবি