কনকচাপা ফেরিটি মাওয়া-কাওড়াকান্দি ঘাটে স্থানান্তর করায় লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌ রুটে ফেরি সংকট দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই মেঘনা নদীর এই রুটে আটকা পড়ছে বাস-ট্রাকসহ শতাধিক যানবাহন।

এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ী ও পরিবহন মালিকরা।

শনিবার রাতে লক্ষ্মীপুর-ভোলা রুটের লক্ষ্মীপুর মজু চৌধুরীরহাট ঘাটে প্রায় শতাধিক যানবাহন আটকে ছিল। বৃহস্পতিবার রাত থেকে উভয় ঘাটে আটকে পড়া গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে।

এ অবস্থা চলতে থাকলে রোববার বিকাল পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এ রুটে কনকচাপা, কিষাণি ও কস্তুরি নামে তিনটি ফেরি চালু ছিল। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১০ জুলাই কর্তৃপক্ষ কনকচাপা ফেরিটিকে মাওয়া-কাওড়াকান্দি ঘাটে স্থানান্তর করে। স্থানান্তরের প্রথম দিকে গাড়ি পারাপারে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু ঈদ ঘনিয়ে আসায় গাড়ির বাড়তি চাপে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে, চরম দুর্ভোগে পড়া ঘরমুখো যাত্রীরা উপায়ন্ত না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা বা ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে করে মেঘনা নদী পার হচ্ছেন। এজন্য তাদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। এতে সল্প আয়ের যাত্রীদের ভোগান্তি আরো বাড়ছে।

ট্রাক চালক ও ব্যবসায়ীরা জানান, ঘাটে পণ্য বোঝাই ট্রাক নিয়ে আটকে থাকায় কাঁচামালসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য পঁচতে শুরু করেছে। এছাড়া খাওয়া-দাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে চালক, শ্রমিক ও যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বিআইডব্লিওটিএ লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীহাট লঞ্চঘাট টার্মিনাল সহকারী মো. কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঈদকে ঘিরে যানবাহনের চাপ বেশি। তবে কনকচাপা ফেরিটি থাকলে এমনটি হতো না।

ঢাকা, ২০ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই