নড়াইলের কালিয়ায় নবগঙ্গা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়া মানুষেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। পানি কমার সাথে সাথে ভাঙ্গন আরো বাড়ছে।
ইতোমধ্যে সালামাবাদ ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের প্রায় ৫০টি বাড়ী, মন্দির,সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মূল্যবান গাছপালা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গা পরিবার নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যাথা নেই। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,উপজেলার সালামাবাদ ইউপির দেবীপুর গ্রামের
গোবিন্দ,নিখিল,নিরাপদ,মিহির,শুশান্ত,শুভ্র,সুবাস,শ্যামা,সাধু,বিজন,দুলাল,প্রভাষ,দিলীপ,নব,কৃষ্ণ,শৈলেন,অমেত্য,পংকজ,হরষিৎ,বিপুল,বিদ্যুৎ,দুলাল,জাহাঙ্গীর,হাসান,একরাম,আজিবর,ফুলমিয়া,সালাম,মিজান,তুজিবর,হারু,মনিরুল,হামিদ,খালেক,আলী,দবির উদ্দিন সহ প্রায় ৫০টি ঘর-বাড়ী ভাঙ্গনে নিঃশেষ হয়ে গেছে। এছাড়া উপজেলার দাশনাওরা,নওয়াগ্রাম,চাঁদেরচর, তেলিডাঙ্গা,পেড়লীস্থান ও বুড়িখালী গ্রাম নবগঙ্গা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে ।
এ প্রসঙ্গে সালামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান এফএম শামীম আহম্মেদ বলেন,‘ নদী ভাঙ্গা মানুষের সহযোগিতা করার পাশাপাশি প্রতিকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ একই প্রসঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো.শরীফুল ইসলাম বলেন,‘সালামাবাদ ইউপির দেবীপুর ভাঙ্গনরোধের কাজের বিষয়ে এখনও কোন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়নি।’
রিন্টু/ এআই





