ধুমপান মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে তামাক ও তামাকজাত পণ্যে উচ্চহারে শুল্ক ও কর ধার্য করা উচিত। আর এর জন্য বিড়ি ও সিগারেট ব্যবসায়ীদের কথা শোনার দরকার নেই, তাদের সঙ্গে মন্ত্রীদেরও দেখা করা উচিত নয় বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

রোববার (১২জুন) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গবেষনা ও উন্নয়ন কালেকটিভ আয়োজিত 'জাতীয় বাজেট ২০১৬-২০১৭:বিড়ি শ্রমিক ও বিড়ি-শিল্প' বিষয়ক সেমিনারে এ সব কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন,তামাকের উপর দিন দিন শুল্ক বাড়ছে। তবে আমি মনে করি,ধুমপান নিরুৎসাহিত করার জন্য তামাক ও তামাকপণ্যের উপর আরো উচ্চ হারে শুল্ক ও কর আরোপ করা উচিত। তামাকজাত পণ্যের উকালতি করার জায়গা নেই। চিকিৎসকরা বলেন, তামাকপন্য ব্যবহারের ফলে যে রোগ বালাই হয়, তার চিকিৎসা করার জন্য বিপুল পরিমাণবাড়তি খরচ করতে হয়। তবে ধুমপান নিরুৎসাহিত করার জন্য তেমন কোন কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে না। এ জন্য সবাই মিলে একটা বহুমূখী পরিকল্পনা নেওয়া উচিত।

ধুমপান মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য সম্পূরক রাজস্বনীতি গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী।

বিড়ি শ্রমিকদের বিষয়ে ইনু বলেন, বিড়ি শ্রমিকরা যে পরিবেশে কাজ করে তা কাজের উপযোগী নয়।তার আধুনিকায়নে করা উচিত।সেই সঙ্গে সরকারের উচিত বিড়ি শ্রমিকদের পুনবাসনের জন্য বড় করে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া।তাদের জন্য থোক বরাদ্দ রাখা।বিড়ি শ্রমিকরা যাতে নুন্যতম মজুরী পায় তার দিকে সরকারে মনোযোগী হওয়া।

ট্রেট ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ডা.ওয়াজেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন,আয়োজক সংগঠনের চেয়ারপার্সন প্রফেসর ড. মেসবাহ কামাল,জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আব্দুস সবুর,ভরসা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম কে বাঙ্গালী,কারিগর বিড়ি-শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হালিম সামাদ্দার প্রমুখ।

ইআর/এফএফ