ভূপৃষ্ঠের দুষিত পানি ছেঁকে ব্যবহারের উপযোগী করে নিচে জমা রাখে মাটি। বন্যার প্রকোপ কমায়। পরিবেশের ভারসাম্য ধরে রাখে।

বিশ্ব মাটি দিবস আজ। উদ্ভিদের জন্ম বৃদ্ধিতে ও মানবকল্যাণে মাটির গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিতেই বিশ্ব মাটি দিবস নির্ধারণ করা হয়েছে। মাটির সঠিক পরিচর্যার গুরুত্ব বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মৃত্তিকা বিজ্ঞানের আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন (আইইউএসএস) ২০০২ সালে বিশ্ব মাটি দিবস পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করে। পরে এটি জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য সংস্থার অনুমোদন লাভের পর প্রতিবছর ৫ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী দিবসটি উদযাপিত হয়।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মাটি: যেখানে খাদ্যের সূচনা’। থিমটির লক্ষ্য মাটি ব্যবস্থাপনায় ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে, মাটির সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সমাজকে উৎসাহিত করে একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্র বজায় রাখার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হবে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ (সোমবার) সকালে খামারবাড়ি কেআইবি মিলনায়তনে একটি সেমিনার, সয়েল কেয়ার অ্যাওয়ার্ড ও বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

এন