ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে কক্সবাজারের ক্ষতিগ্রস্তরা চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন। ঘরবাড়ি হারিয়ে রোজার এই সময় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে এসব এলাকার কয়েক হাজার পরিবার।
দুর্যোগকবলিত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ তাদের। তবে চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণ সরবরাহ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেছে জেলা প্রশাসন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক, সমিতি পাড়া, কুতুবদিয়াপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বসতঘরসহ সব কিছু হারিয়েছেন প্রায় ৭ হাজার পরিবার।
এরমধ্যে প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে মাত্র ৪শ’ পরিবারের মাঝে মাত্র ৮ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। বাকিদের কাছে এখনও কোনো ধরনের খাদ্য বা ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেনি।
ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, ঝড়ের আগে প্রশাসনের নানা তৎপরতা থাকলেও দুর্যোগ কেটে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় তেমন উদ্যোগ নেই। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সামান্য কিছু পরিবার ত্রাণ পেলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম বলে জানালেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।
শিগগিরি চাহিদা অনুযায়ী আরও সরবরাহ বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। প্রশাসনের দেয়া তথ্য মতে, ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের আট উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে ২৬২ মেট্রিক টন জিআর চাল ও নগদ ২৩ লাখ টাকা।
এমএনজে





