সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সব শ্রেণিপেশার মানুষের একত্রিত হয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করার ওপর গুরত্বারোপ করেছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের (নিসচা) চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।
মঙ্গলবার দুপুরে মাগুরার শহীদ আসাদুজ্জামান মিলনায়তনে সড়ক দুর্ঘটনারোধে গাড়ী চালকদের দক্ষতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ইলিয়াস কাঞ্চন এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে আর কোনো সড়ক দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য আমাদের অঙ্গিকার করতে হবে। একটি সড়ক দূর্ঘটনা সারাজীবনের কান্নায় যেন রূপ লাভ না করে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ও সাধারণ মানুষের সদিচ্ছায় সড়ক দুর্ঘটনাকে শুণ্যের কোঠায় নিয়ে আসা সম্ভব। এ সময় তিনি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান প্রধান কারণ অনুসন্ধান ও তা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সাসটেইন্যাবল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট, এলজিইিডি ও নিসচা’র যৌথ আয়োজনে বেলা ১১ টায় মাগুরা শহরের নোমানী ময়দান থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার ওই ময়দানে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, রেডক্রিসেন্ট, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র্যালি শেষে আসাদুজ্জামান মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবর রহমানের সভাপতিত্বে গাড়ী চালকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন ইলিয়াস কাঞ্চন। প্রধান অতিথি ছিলেন মাগুরা জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শরিফুল ইসলাম।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, পৌরসভার মেয়র ইকবাল আখতার খান কাফুর, সিভিল সার্জন ডা. এফবিএম আ. লতিফ, এলজিইডির যশোর অঞ্চলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো. মোশারফ হোসেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাগুরার নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দত্ত, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মো. নাজমুল হক লাবলু, এনজিও কোঅর্ডিনেটর মো. আব্দুল হালিম, নিসচার জেলা সভাপতি আবু মোহাম্মদ ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক আবু ইমাম মোহাম্মদ বাকের প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে চার শতাধিক গাড়ি চালক ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কেএইচ





