গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ২১ জন রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯জন সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১৪ জন, মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে বর্তমানে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ৯ জন, মুকসুদপুরে ১ জন ও টুঙ্গিপাড়ায় ২ জন চিকিৎসাধীন।

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. তরুণ মণ্ডল বলেন, “আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ ঢাকা থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েই গোপালগঞ্জে এসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আবার কেউ কেউ গোপালগঞ্জ থেকেও আক্রান্ত হয়েছেন। যে কারণে গ্রাম বা শহরের সব জায়গাতেই এখন ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে।”

তিনি বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।”

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত মল্লিক বলেন, “ডেঙ্গুতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সচেতনতার সঙ্গে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে সুস্থ থাকা সম্ভব। ডা. অসিত বলেন, “এডিস মশার প্রজনন বন্ধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। দিনে ও রাতে মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হবে।”

এদিকে, ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। তাঁরা বলছেন, গোপালগঞ্জের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু নির্ণয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। এ কারণে ডেঙ্গু পরীক্ষায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।  

এমবি