রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে শান্তি কুমার চাকমা (৬২) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন।
শনিবার গভীর রাতে উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের রামহরি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে এ ঘটনায় জনসংহতি সমিতির পক্ষ থেকে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে (ইউপিডিএফ) দায়ী করা হয়েছে। তবে ইউপিডিএফ হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেছে।
স্থানীয়রা জানায়, নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের রামহরি পাড়ার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক সদস্য শান্তি কুমার চাকমাকে রাতের অন্ধকারে কে বা কারা বাসার থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যার পর লাশ ফেলে যায়। পরে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহ তথ্য ও প্রচার বিভাগের সম্পাদনা সজীব চাকমা নিহত শান্তি কুমার চাকমাকে জনসংহতি সমিতির সমর্থক দাবি করে এ ঘটনার জন্য প্রতিপক্ষ ইউপিডিএফকে দায়ী করেছেন।
তবে ইউপিডিএফের সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি বাবলু চাকমা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে জানান, জনসংহতি সমিতি নিজেরাই এ ঘটনা ঘটিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে।
এছাড়া জনসংহতি সমিতির সদস্যরা এর আগেও রামহরি পাড়ায় গিয়ে নিরীহ লোকজনকে গুলি করে হত্যা করেছে বলে পাল্টা অভিযোগও করেন বাবলু চাকমা।
ঘিলাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান অমর জীবন চাকমা ৭নং ওয়ার্ড সদস্য লতিফ চাকমার বরাত দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শনিবার গভীর রাতে কে বা কারা সাবেক ইউপি সদস্য শান্তি কুমার চাকমাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নানিয়ারচর থানার সেকেন্ড অফিসার মো. আব্দুল আউয়াল জানান, ঘটনা শোনার পর এলাকায় বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা, ৩১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





