বরিশালে হরিজন সম্প্রদায়ের দুই দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী সূর্যপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঊষাডোবা লগ্নে বুধবার নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরে এই পূজার আয়োজন করা হয়। এতে নগরীর প্রায় ৫ হাজার হরিজন সম্প্রদায়ের সদস্য অংশ নেন।
হরিজন ঐক্য পরিষদের সম্পাদক জয়ন্ত দাস জানান, বৃহস্পতিবার রাতে হরিজন সম্প্রদায়ের বাড়িতে বাড়িতে ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে সূর্যপূজা শুরু হয়। বিকেলে অস্তগামী সূর্যের স্তব প্রার্থনার মাধ্যমে শুরু হয় দ্বিতীয় দিনের মতো সূর্যপূজা। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে যজ্ঞ, সূর্যের স্তব ও প্রার্থনার মাধ্যমে শেষ হবে আনুষ্ঠানিকতা।
সরেজমিন দেখা গেছে, পূজা উপলক্ষে নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরে দুটি তোরণ নির্মাণ করা হয়। সূর্যপূজায় হরিজন সম্প্রদায়ের নারী, পুরুষ ও শিশু-কিশোররা উৎসবে মেতে ওঠে। নানা ধরনের ফলাহার দিয়ে সূর্যদেবকে বন্দনা করেন তারা। নগরীর কীর্তনখোলা ফেরিঘাটে মূল পূজা হলেও কাউনিয়া ডোমবাড়ির হরিজনরা খালপাড়েই এই পূজার আয়োজন করেন। পূজা উপলক্ষে নগরীর কাউনিয়া, আমির কুটির, কাঠপট্টি, ফলপট্টিসহ হরিজন কলোনিতে পূজা উপলক্ষে উৎসবের আমেজ বইছে।
পুরোহিত ভানুলাল চক্রবর্তী জানান, বুধবার কীর্তনখোলা নদীতে সূর্যপূজার মাধ্যমে মূল অংশের পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সূর্য বন্দনার মাধ্যমে এই পূজার শেষ হবে। নদীতীরে প্রার্থনা ছাড়াও যজ্ঞানুষ্ঠান ও সূর্যের সন্তুষ্টি লাভের জন্য উপাচার প্রদান করা হয়েছে।
এএইচ





