সিলেট বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের একপর্যায়ে বন্ধুকের গুলিতে এক কর্মী ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন।

আজ সোমবার দুপুরে ছাত্রলীগের ‘পল্লব গ্রুপ’ ও ‘পাভেল গ্রুপ’–এর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত লিটু (২৫) ছাত্রলীগের সিলেট জেলা শাখার আপ্যায়ন বিষয় সম্পাদক পাভেল মাহমুদ গ্রুপের কর্মী বলে জানা গেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৬ জন।

নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজ্ঞান চাকমা জানিয়েছেন, গুলি খালেদ আহমদ লিটুর মাথায় লেগেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

জানা যায়, সকালে কলেজের প্রথম বর্ষের দুই ছাত্রের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় পুলিশের পাঁচ সদস্য কলেজের প্রধান ফটকে দায়িত্বে ছিলেন।

বেলা ১২টার দিকে ইংরেজি বিভাগের একটি কক্ষ থেকে গুলির শব্দ শোনে ক্যাম্পাসে থাকা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবকের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান। যুবকের ডান চোখের উপরে গুলির আঘাত লেগে মাথার পেছন থেকে বেরিয়ে যায়। এ সময় কক্ষে অন্য কাউকে পায়নি পুলিশ। এমনকি কক্ষে কোন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি।

নিহত যুবক লিটন আহমদ লিটু পৌরশহরের নয়াগ্রাম রোডে একটি মোবাইল দোকানের মালিক। সে পৌরসভার খাসা পন্ডিত পাড়া এলাকার খলিলুর রহমানের পুত্র। তবে কেন তিনি কি কারণে কলেজের ওই কক্ষে অবস্থান করছিলেন তা তাৎক্ষনিকভাবে জানা যায়নি। তার মৃত্যুটি চোরাগোপ্তা হামলা না ছাত্রলীগের বিবদমান গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরিন কোন্দল থেকে ঘটেছে এ বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে কলেজের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। একই সাথে কলেজ ছুটি দেয়া হয়।

আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এমএনজে/এমবি