বাংলাদেশ আলফা, বেটা, গামা, ডেলটা ভ্যারিয়েন্টগুলো মোকাবিলা করেছে। এসব ভ্যারিয়েন্ট দীর্ঘদিন থাকে না, এক সময় দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু কমলেও বিষয়টি স্বস্তির না বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. রোবদ আমিন।
রোববার (২৯ আগস্ট) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব কথা বলেন অধ্যাপক ডা. মো. রোবদ আমিন।
তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নামতে হবে। এখনও আমাদের সংক্রমণের হার ১৩ শতাংশের উপরে। যখন ২৪ ঘণ্টায় কোনো করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি। কোনো মৃত্যু হয়নি। এই অবস্থা দুই থেকে তিন সপ্তাহ টানা রাখতে পারি, তখন আমরা বলতে পারবো করোনা সম্পূর্ণ রূপে নিয়ন্ত্রণ করতে আমরা সক্ষম হয়েছি।
সংক্রমণ আবারও বাড়ার আশঙ্কার বিষয়ে অধ্যাপক ডা. মো. রোবদ আমিন বলেন, এটা বলা খুব কঠিন। যে ইনফেকশন হচ্ছে এটি আনপ্রেডিকটেবল একটি ভাইরাস। বর্তমান সময়ে আলফা, বেটা, গামা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের যে বৈশিষ্ট্যগুলো আমরা দেখতে পেয়েছি বিভিন্ন দেশে, দুই থেকে তিন মাস ঝড়ের মতো প্রভাব থাকে এরপর ধীরে ধীরে এই ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট কমে যায়। হয়তো বাংলাদেশও সেই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আমরা সেটাও বলতে পারছি না নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্ট আমাদের দেশে আসবে কিনা। সম্ভাবনা সব সময় থাকবে। আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলি, তাহলে যে কোনো ভ্যারিয়েন্ট আসুক না কেন সংক্রমণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা কমবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র আরও বলেন, মানুষের হাইপার টেনশন, ডায়াবেটিস বড় সমস্যা। আমাদের প্রান্তিক পর্যায়ে যে কমিউনিটি ক্লিনিক আছে সেখানে এ ধরনের রোগীদের তালিকাভুক্ত করা হয়। পরামর্শ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা দেয়া হয়। বাংলাদেশ সরকার বিনামূল্যে রোগীদের ওষুধ দিচ্ছে।
এবিএস





