যুক্তরাষ্ট্র সফররত বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমান চালু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডালের এভিয়েশন অথরিটি (এফএএ)-অডিট রিপোর্ট পেলেই এই রুটে বিমান চালু হবে। তবে এজন্য আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে নতুন বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
নিউইয়র্ক সিটির এলামহাস্টস্থ বাংলাদেশ সোসাইটি কার্যালয়ে ১৫ জুলাই বুধবার আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন উপরোক্ত কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জেএফকে এয়ারপোর্টে বাংলাদেশ বিমানের শ্লট আজো বরাদ্দ রয়েছে। নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে পুনরায় বিমান চালুর ব্যাপারে গত বছর থেকেই এফএএ'র সাথে দেন-দরবার চলছে। ইতিপূর্বে এফএএ'র ৬৪টি অপত্তির মধ্যে প্রায় সবগুলো অপত্তিই ফুলফিল করা হয়েছে। এখন মাত্র ১৬টি আপত্তি ফুলফিলের পথে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আশা করা হচ্ছে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই এই আপত্তিগুলোরও নিষ্পত্তি হবে এবং এরপরেই রুটিতে বিমান চালু করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি মন্ত্রী বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও প্রসারে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনাদের দেশ ভ্রমনের সময় সপরিবারে দেশের পর্যটন এলাকাগুলো ঘুরে দেখুন, পর্যটন শিল্পকে উৎসাহীত করুন।
সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সোসাইটির ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. মইনুল ইসলাম মিয়া, সাবেক সভাপতি কামাল আহমেদ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম। খবর ইউএনএ’র।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী মেননকে সোসাইটির কর্মকর্তরা পুষ্পস্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া সভাপতি আজমল হোসেন কুনু স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং মন্ত্রীকে প্রদত্ত স্মারকলিপি পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহীম হাওলাদার। পরে মন্ত্রীকে সোসাইটির পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
সভাপতি কুনু তার বক্তব্যে নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমান চালুর দাবী ছাড়াও লন্ডন-সিলেট রুটে বন্ধ হওয়া সরাসরি বিমান চালু, নিউইয়র্ক প্রবাসী মনসুর রহমান ঢাকায় হত্যা ও সিলেটে রাজন হত্যার বিচার দাবী করেন।
ফখরুল আলম তার বক্তব্যে নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমান চালু জোর দাবী জানিয়ে বলেন, প্রবাসীদের অর্থে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে, দেশে বৈদেশিক রিজার্ভ ফান্ড বাড়ছে। সেই প্রবাসীদের যেনো এজন্য আন্দোলনে নামতে না হয়।
অনুষ্ঠানে সোসাইটির ট্রাষ্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য এম, কাইয়্যুম ও আলাউদ্দিন ভুলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান ইউসুফজাই (সালু) ছাড়াও অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ইআর





