আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ‘সম্মেলিত ইসলামী দল সমূহের’ নেতৃবৃন্দ।

তারা বলেন, স্ব-ঘোষিত ধর্মদ্রোহী, মুরতাদ লতিফ গংদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়ন করতে হবে। মহানবী (সা:), পবিত্র হজ, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবলীগ জামাত নিয়ে কটূক্তি ও বেয়াদবির জন্য লতিফ সিদ্দিকীসহ সকল নাস্তিক-মুরতাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ওলামা-মাশায়েখ ও তৌহিদী জনতার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার বাদ জুমা দেশব্যাপী গণবিক্ষোভের অংশ হিসেবে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন।

নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘কোনো অমুসলমানের দেশেও নবীজি (সা.) ও ইসলাম নিয়ে কটাক্ষ করে কেউ রেহাই পায় না। অতএব ৯২% মুসলমানের এদেশে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান হিসেবে আপনারা স্ব-ঘোষিত ধর্মদ্রোহী, মুরতাদ লতিফ গংদের রক্ষা করার অপচেষ্টা চালাবেন না।’

‘সম্মেলিত ইসলামী দলসমূহের’ সদস্য সচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খানের নেতৃত্বে গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন- সম্মিলিত ওলামা-মাশায়েখ পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আবদুল মোবিন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সহকারী মহাসচিব মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, ইসলামিক পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ইজাজ হোসেন, বাংলাদেশ যুব আন্দোলনের আমির মুফতি ফখরুল ইসলাম, ইসলামিক পার্টির যুগ্ম মহাসচিব হাফেজ শহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা আজিমুদ্দীন, মুফতি আবুল কাসেম কাসেমী, মাওলানা সালেহ সিদ্দিকী, মাওলানা শফিকুল ইসলাম মিলন, মুফতি তাজুল ইসলাম কাওসারী, মাওলানা কামরুল হাসান, মাওলানা মাহবুবুল আলম প্রমুখ।

এছাড়াও সারা দেশের প্রধান প্রধান মহানগরী ও জেলা শহর থেকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে বাদ জুমা বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

কেএইচ