জ্বর নিয়ে চীন থেকে আসা আরও এক শিক্ষার্থীকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ বুধবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে আইসোলেশন বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
এছাড়াও ঢাকায় নিয়ে যাওয়া লালমনিরহাটের কালিগঞ্জের চলবলা মদনপুরের শিক্ষার্থী আল আমিনের শরীরেও কোনো করোনাভাইরাস নেই, তবে কিডনির সমস্যা আছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন বিভাগের করোনা ইউনিটের তত্ত্বাবধায়ক হুমায়ুন কবির নোমান জানিয়েছেন, সন্ধ্যা পৌণে ছয়টায় শিক্ষার্থী তৌফিক হোসেন ভর্তি হয়েছেন। তিনি ৮ ফেব্রুয়ারি চীন থেকে ঢাকা আসেন। সেখান থেকে আসেন তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে।
তিনি সে গ্রামের কাদের মন্ডলের পুত্র। চীনের থাওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতেন তিনি। বুধবার পৌনে ছয়টায় তার জ্বর, বমিবমি ভাব এবং মাথাঘোরা অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
করোনা ভাইরাস পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান ডা: দেবেন্দ্র নাথ সরকার জানিয়েছেন, গত শনিবার নীলফামারী-ডোমার মিরজাগঞ্জের চীন ফেরত তাশদীদ হোসেনের শরীরে করোনার কোনো ভাইরাস না পাওয়ায় তাকে বুধবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।
তিনি তার বাবা আলতাফ হোসেনের সাথে বাড়িতে ফিরে গেছেন। আইইডিসিআর তার শরীরের রক্ত, ঘাম ও লালায় কোন ধরনের ভাইরাস পায়নি।
অন্যদিকে রোববার ভর্তি হওয়া লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে চলবলা মদনপুরের চীন ফেরত শিক্ষার্থীকে ঢাকায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারও লালা, ঘাম ও জ্বর পরীক্ষা করে কোনো করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া যায়নি।
তবে তার কিডনির সমস্যা আছে। অন্যদিকে বুধবার ভর্তি হওয়া তৌফিক হোসেনের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করার জন্য ঢাকায় আইইডিসিআরে সংবাদ দেয়া হয়েছে।
এএস





