নোয়াখালীতে বিবস্ত্র করে গৃহবধু নির্যাতন, সিলেটের এমসি কলেজে গণর্ধষণ এবং সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ যুবকল্যাণ পরিষদ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮ টায় সংগঠনটির ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি উত্তর বাড্ডা থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে লিঙ্ক রোডে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের যুবনেতা রাজিফুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন- যুব নেতা মাহমুদুুর রহমান আজাদ, জহিরুল আলম স্বাধীন, শেখ আরাফাত, জামাল উদ্দীন, মিজানুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম মনিরুজ্জামান শামীম, আবুল বাশার, হাবিব মজুমদার ও ছাত্রনেতা মাহমুদ মোরাদ প্রমূখ।

সমাবেশে রাজিফুল হাসান বলেন, “মূলত আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অভাবেই সারাদেশে নারী নির্যাতন সহ অপরাধ প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত না থাকায় পুরো দেশই এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। নারীর প্রতি সহিংসতাও বেড়েছে উদ্বেগজনকভাবে। ফলে দেশের নারী সমাজ তাদের ইজ্জত-সম্ভ্রম নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এমতাবস্থায় নারীর সম্ভ্রম রক্ষায় ঐক্যববদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”

তিনি সিলেটের এমসি কলেজ হোষ্টেল ও নোয়াখালীতে নারী নিগ্রহের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দায়িদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে।

তিনি বলেন, “মূলত সরকারের উদাসীনতার কারণেই সারাদেশে নারী নির্যাতন ও নারীর প্রতি সহিংসতাসহ অপরাধ প্রবণতা বেড়েছে। সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একশ্রেণির সদস্যরা নিজেরাই রক্ষকের পরিবর্তে ভক্ষকে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশী হেফাজতে নিরাপরাধ মানুষ হত্যার ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়ীতে পুলিশি নির্যাতনে রায়হান হত্যার ঘটনা সে দিকেই অঙ্গলী নির্দেশ করে। যা গোটা জাতিকেই শোকাভিভূত করেছে।”

তিনি এই নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দায়িদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এমবি