নদী তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান থাকলেও ভাঙন আতঙ্ক দূর হচ্ছে না যমুনা পাড়ের সারিয়াকান্দির রৌহাদহ গ্রামবাসীর। গত ১৫ দিনে ওই গ্রামের ৬৭টি ঘরবাড়ি যমুনাগর্ভে বিলীন হয়েছে। হুমকিতে পড়েছে সদ্য নির্মিত ১৫শ’ মিটার তীর সংরক্ষণ কাজ (সিসি ব্লক পিসিং) ও রৌহাদহ জামে মসজিদ।
ভাঙন আতঙ্কে লোকজন ঘরবাড়ি নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিচ্ছে। এদিকে ভাঙন ঠেকাতে নৌবাহিনীর সাব-ঠিকাদার ভাঙন এলাকায় অবিরত বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে চলেছে। গত এক সপ্তাহে ওই ভাঙন পয়েন্টে ২২ হাজার বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে। সূত্র আরো জানায়, প্রকল্প এলাকায় প্রতিদিন ১৫ হাজার বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্প করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না।
যমুনা পাড়ের ভুক্তভোগী মানুষের অভিযোগ, নৌবাহিনী কাজ না করে সাব-ঠিকাদার নিয়োগ করায় কাজ গতিশীল হচ্ছে না। জনপদের জানমাল ভাঙন থেকে রক্ষায় নদী শাসন কাজ ত্বরান্বিত ও গতিশীল করার জন্য ইতোমধ্যে পাউবো বগুড়ার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর অফিস থেকে প্রকল্প পরিচালকের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।
ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাইট ম্যানেজার টুটুল মিয়া বলেন, ভাঙন শুরু হওয়ায় রৌহাদহ পয়েন্টে গুরুত্ব দিয়ে ডাম্পিং করা হচ্ছে। ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু নদী পাড়ের মানুষ সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে। প্রকল্প অফিসার অনারারি লেফটেন্যান্ট (অব.) আশরাফুল ইসলাম (বিএন) বলেন, রাষ্ট্র আমাদের কাজের দায়িত্ব দিয়েছে। জীবন বাজি রেখে সে দায়িত্ব পালন করবো এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প কাজ সম্পন্ন করব।
এসএ/টাইম





