মিয়ানমার আইসিসি’র সদস্য নয়। তবে বাংলাদেশ আইসিসি’র সদস্য। তাই মিয়ানমার সদস্য না হলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) অধীনে এর বিচার করা সম্ভব বলে জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ডেপুটি প্রসিকিউটর জেমস স্টুয়ার্ট।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, রোহিঙ্গা নির্যাতনের তদন্ত ও বিচারের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। এই লক্ষ্যে আমরা বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। পররাষ্ট্র, আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ছিলেন। এই বিচার প্রক্রিয়ায় আইসিসির কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেই।

তিনি আরও বলেন, আইসিসি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের আইনগতভাবে বিচার করে থাকে। এই বিচার প্রক্রিয়ায় আইসিসির কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেই। যেকোনো দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে থেকেই আমরা কাজ করে থাকি।

রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচার ও তদন্ত প্রক্রিয়া শুরুর জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আইসিসি কোনো চুক্তি করবে কি-না- এমন প্রশ্নের উত্তরে জেমস স্টুয়ার্ট বলেন, এটা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বিচারের জন্য বিশ্বের সব দেশের সঙ্গেই আইসিসি এমন চুক্তি করে থাকে।

তিনি বলেন, আইসিসি অনুমতি দিলে আগামী অক্টোবরের মধ্যে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্ত শুরু করতে পারবো বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে গত ১৬ জুলাই জেমস স্টুয়ার্টসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসে।

জেড