রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার পরিদর্শকসহ (তদন্ত) দুই পুলিশ সদস্যকে থানায় ঢুকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ। বুধবার রাত ৮টায় কথাকাটাকাটির জের ধরে ওই ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বোয়ালিয়া মডেল থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাত ৮টার দিকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান থানা ভবনের দ্বিতীয় তলায় তার রুমে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছিলেন। এসময় মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন। তার সঙ্গে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীও ছিলেন।
ওই সময় রাজিব নগরীর শাহমখদুম থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেনের বড়ভাই ফল ব্যবসায়ী আকবরের আটকের ঘটনা নিয়ে পরিদর্শক মাহবুবুর রহমানের উপর নিয়ে চড়াও হন। এসময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সাদা পোশাকে এক পুলিশ সদস্য এর প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ায়। এক পর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্যকে ধরে পেটাতে শুরু করেন তারা।
এসময় ওই পুলিশ সদস্যকে রক্ষায় এগিয়ে এলে নেতাকর্মীরা মাহবুবুর রহমানকেও এলোপাতাড়ি পেটাতে শুরু করে। খবর পেয়ে থানার অন্য পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। তার আগেই থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়।
এদিকে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মারপিটের ঘটনায় থানার বাইরে উৎসুক মানুষ ভিড় জমায়।
খবর পেয়ে সাংবাদিকরা সেখানে পৌঁছালে তাদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয় পুলিশ।
পরে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার থানায় গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
তবে থানায় পুলিশ পেটানোর ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন, বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন।
তিনি বলেন, ‘যে সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা থানায় এসেছিলেন ওই সময় এক হেরোইনসেবী চেঁচামেচি করছিলো।’ তবে কি জন্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা থানায় গিয়েছিলেন তা তিনি জানাতে পারেননি।
অন্যদিকে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ জানান, নগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রাজিব পুলিশ হেফাজতে থাকায় একজনকে ছাড়াতে ওই সময় থানায় গিয়েছিলেন। এরপর কি ঘটনা ঘটেছে তা তিনি জানেন না বলে দাবি করেন।
এ নিয়ে কয়েক দফা চেষ্টা করেও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের মোবাইল ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। সংযোগ পাওয়া যায়নি পরিদর্শক মাহবুবুর রহমানেরও।
জেএ
থানায় ঢুকে পুলিশকে পেটালো ছাত্রলীগ
রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার পরিদর্শকসহ (তদন্ত) দুই পুলিশ সদস্যকে থানায় ঢুকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ। বুধবার রাত ৮টায় কথাকাটাকাটির জের ধরে ওই ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বোয়ালিয়া মডেল থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাত ৮টার দিকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান থানা ভবনের দ্বিতীয় তলায় তার রুমে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছিলেন। এসময় মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন। তার সঙ্গে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীও ছিলেন।
ওই সময় রাজিব নগরীর শাহমখদুম থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেনের বড়ভাই ফল ব্যবসায়ী আকবরের আটকের ঘটনা নিয়ে পরিদর্শক মাহবুবুর রহমানের উপর নিয়ে চড়াও হন। এসময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সাদা পোশাকে এক পুলিশ সদস্য এর প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ায়। এক পর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্যকে ধরে পেটাতে শুরু করেন তারা।
এসময় ওই পুলিশ সদস্যকে রক্ষায় এগিয়ে এলে নেতাকর্মীরা মাহবুবুর রহমানকেও এলোপাতাড়ি পেটাতে শুরু করে। খবর পেয়ে থানার অন্য পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। তার আগেই থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়।
এদিকে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মারপিটের ঘটনায় থানার বাইরে উৎসুক মানুষ ভিড় জমায়।
খবর পেয়ে সাংবাদিকরা সেখানে পৌঁছালে তাদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয় পুলিশ।
পরে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার থানায় গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
তবে থানায় পুলিশ পেটানোর ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন, বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন।
তিনি বলেন, ‘যে সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা থানায় এসেছিলেন ওই সময় এক হেরোইনসেবী চেঁচামেচি করছিলো।’ তবে কি জন্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা থানায় গিয়েছিলেন তা তিনি জানাতে পারেননি।
অন্যদিকে মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ জানান, নগর ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রাজিব পুলিশ হেফাজতে থাকায় একজনকে ছাড়াতে ওই সময় থানায় গিয়েছিলেন। এরপর কি ঘটনা ঘটেছে তা তিনি জানেন না বলে দাবি করেন।
এ নিয়ে কয়েক দফা চেষ্টা করেও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের মোবাইল ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। সংযোগ পাওয়া যায়নি পরিদর্শক মাহবুবুর রহমানেরও।
জেএ





