সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ১১১ জন বাংলাদেশী জেলে পশ্চিমবঙ্গের কারাগারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন। পাঁচটি মাছ ধরা ট্রলারসহ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলেদেরকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত নদী কালিন্দির মধ্যভাগে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সুন্দরবন-লাগোয়া বিজিবির কৈখালি ক্যাম্প এলাকায় ভারতের হেমনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অমলেশ কুমার তাদেরকে নিয়ে আসেন। শ্যামনগর থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রহণ করেন।

এ সময় ভারতীয় বিএসএফ’র শমসেরনগর ক্যাম্প ও বিজিবি’র কৈখালি রিভারাইন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলেদের ব্যবহৃত ট্রলার এমভি জাহানারা, এমভি আনোয়ারা, এমভি আল্লাহর দান-২, এমভি রহিমা ও এমভি ইসরাত জাহান খেয়ার মালিক কবির হোসেন, নুর ইসলাম, নুর মোহাম্মাদ, জামাল মোল্লা ও মো. বাবুলও উপস্থিত ছিলেন।

৩৪ বিজিবির মেজর মামুন জানান, মুক্তি পাওয়া ১১১ জেলের মধ্যে কক্সবাজারের ৬১ জন, পটুয়াখালীর ১৮ জন, বরগুনার ১৭ জন, বাগেরহাটের ১৩ জন এবং ভোলা ও বরিশালের একজন করে রয়েছেন। তারা সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ভুল করে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়ে। এ সময় বিএসএফ’র রিভার উইং তাদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। তারা প্রত্যেকে তিন থেকে পাঁচ মাসের সাজা ভোগ করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদেরকে মুক্ত করা হয়।

মুক্তি পাওয়া জেলেদের গ্রহণকারী শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, তাদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জেআই