বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সততা, যোগ্যতা, সহমর্মিতা, আত্মত্যাগের মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে এবং জাতিসংঘ শান্তি পুরুস্কার পেয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ শান্তি সেনা প্রেরণকারী দেশ। বাংলাদেশের অন্য বৃহৎ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাত শান্তি রক্ষা মিশন।
আজ ২৭ মে ২০১৫ রোজ বুধবার সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে কোয়ালিশন অব লোকাল এনজিও’স বাংলাদেশ সিএলএনবি’র চেয়ারম্যান হারুনূর রশীদের সভাপতিত্বে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তাগণ সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, শান্তি রক্ষার পর ২য় ধাপে পিস বিল্ডিং এ বাংলাদেশকে অর্জিত সুনাম কাজে লাগিয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
বর্তমানে ১২২ টি দেশের শান্তিরক্ষায় ১৭টি শান্তি রক্ষা মিশনে নীল টুপির নিচে ৯৫৯৩ জন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী নিয়োজিত আছে। যা প্রায় ১০ শতাংশেরও অধিক।
বিশে^র বিভিন্ন দেশে শান্তি রক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী দের ও সশস্ত্র বাহিনীর সকলে ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি সহ: সচিব মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ আকন্দ, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মোকাদ্দেম হোসেন, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক ও সাম্যবাদী দলের নেতা মোঃ শামসুদ্দীন, ভূমিহীন নেতা সুবল সরকার, দার্শনিক আবু মহি মুসা, স্বাধীনতা পার্টির নেতা এ.এ.এম ফয়েজ, কৃষক নেতা জায়ীদ ইকবাল খান, নারী নেত্রী নূরুন্নাহার মেরি, গার্মেন্টস নেত্রী লাভলি ইয়াসমিন, শামীমা শিরিন, কামরুন্নাহার, জান্নাত ফাতেমা, শাহিদা সরকার, উন্নয়ন কর্মী শামিম রেজা, লে: কর্ণেল অব: ড. আনোয়ার হোসেন, দুর্নীতি বিরোধী নেতা হারুনূর রশীদ খান, মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. সামছুল আলম, মোয়াজ্জম হোসেন খান মজলিশ সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
এসএইচ





