কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীকাল সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ১৯২তম ঈদুল আজহার জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা হিফজুর রহমান খান।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে শোলাকিয়া ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবদুল্লাহ আল মাসউদ, কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাজমুল ইসলাম, শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল কাদির মিয়াসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী জানান, ২০১৬ সালের জঙ্গি হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঈদগাহ মাঠের নিরাপত্তায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মাঠের নিরাপত্তায় র্যাব ও পুলিশসহ বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণে এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ জামাত অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক।
এসপি মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ জামাত অনুষ্ঠানের জন্য মাঠের বাইরে, মাঠের ভেতরে ও প্রবেশ পথে চার স্তরের নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মাঠের ভেতর ও বাইরে সাদা পোশাকেও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থাকবেন।
১৮২৮ সালে জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় সাত একর জমির ওপর এই মাঠের গোড়াপত্তন হয়। ওই বছর স্থানীয় সাহেববাড়ির সৈয়দ আহমদের (র.) ইমামতিতে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
ওই ঈদের জামাতে মুসল্লির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল প্রায় সোয়া লাখ। এই সোয়া লাখ থেকেই বর্তমানে মাঠের নামকরণ করা হয় ‘শোলাকিয়া’।
এমআর





