আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অভিভাবক ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে বিদ্যালয়ে কোনো বিশেষ কমিটি থাকতে পারে না।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গভর্নিং কমিটির ৫২ ধারায় বিশেষ কমিটিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করা হবে।

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ফোরামের পক্ষ থেকে এ কথা বলা হয়।

ফোরামের চেয়ারম্যান জিয়াউল কবির দুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি একেএম জহিরুল হক। এ সময় ফোরামের সব সদস্য ও বিভিন্ন শিক্ষানুরাগী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ফোরামের পক্ষ থেকে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানানো হয়। ভর্তি জলিয়াতি বন্ধে সব বিদ্যালয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

ফোরামের চেয়ারম্যান বলেন, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষক এই প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। প্রতিষ্ঠানের মতিঝিল শাখার ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম দুই বছর আগেও একবার র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন।

অবিলম্বে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি জানানি তিনি।

ফোরামের পক্ষ থেকে ভর্তির নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, সব প্রতিষ্ঠানের বেতন বৃদ্ধি রোধসহ কয়েক দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠান থেকে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ অভিভাবক ফোরাম বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনে নিয়মিত পেরেন্টস ডে পালনেরও ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিচারপতি একেএম জহিরুল হক বলেন, সব ধরনের শিক্ষাবাণিজ্য রোধ করতে হবে। কারণ মানসম্মত শিক্ষা ছাড়া একটি জাতি কখনোই উন্নতির শিখরে যেতে পারে না। তিনি এক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

কেএইচ