শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে সোহাগকে দোকান থেকে টেনে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে, কুপিয়ে এবং মাথায় কংক্রিট ও ইট দিয়ে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এই ভয়াবহ ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বৃষ্টির পানিতে ভিজে সোহাগ অর্ধনগ্ন অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছেন। তখন রিয়াদ নামের একজন বড় একটি কংক্রিটের টুকরো নিয়ে সোহাগের বুকে আঘাত করে। পরে সজীব নামে আরেক হামলাকারী তার মুখে কংক্রিট নিক্ষেপ করে। এরপর ছোট মনির ও লম্বা মনিরসহ কয়েকজন বারবার মাথায় ইট ও কংক্রিট দিয়ে আঘাত করে। পাশ থেকে নান্নু ইট এগিয়ে দেয়। এতে সোহাগের মৃত্যু ঘটে। এই হামলার নেতৃত্ব দেন মহিন ও অপু দাস।

পুলিশ জানিয়েছে, ছোট মনির মিটফোর্ড হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মী, নান্নু অ্যাম্বুলেন্স চালক, আর বাকিরা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা মহিনের অনুসারী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও ধারাবাহিক অভিযানে প্রধান আসামি মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) এবং তারেক রহমান রবিনকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তলও জব্দ করা হয়।

র‌্যাব এরই মধ্যে মনির ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করেছে। আদালত আসামি হাসানকে ৫ দিনের এবং রবিনকে ২ দিনের রিমান্ডে দিয়েছে।

ডিএমপির কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক বিরোধ ও পুরনো শত্রুতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

এনএইচ