জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক “চ্যাম্পিয়ন অব দি আর্থ” পুরস্কার পাওয়ায় বাংলার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার এবং ‘আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ পুরস্কার পাওয়ায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃক দেয়া নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

আজ (সোমবার) বিকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্র্রী বলেন, সব কিছু হারিয়ে যখন তিনি নি:শ্বেষ ও অসহায় হয়েছিলেন তখন থেকেই বাংলার মানুষকে নিয়েই বেঁচে আছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আবেগ-আপ্লুত কন্ঠে বলেন, এই বাংলার মানুষ ও বাংলাদেশের জন্য তিনি সব কিছু করতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সব কিছু কাটিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে।

দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়ন করতে গেলে পরিবেশের ওপর কিছুটা প্রভাব পড়বে এটাই স্বাভাবিক। তবে, পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রেখে দেশের উন্নয়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলার মানুষকে ভালোবাসে তাদের প্রতি শেখ হাসিনা তার সদ্য প্রাপ্ত পুরস্কার দুটি উৎসর্গ করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, তিনি মানুষকে ভালোবাসতে শিখেছেন তার বাবার কাছ থেকে।

শেখ হাসিনা বলেন, কিভাবে দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবাসতে হয় তা বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন থেকে তিনি শিখিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এ বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউনেপ) এবং আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রধানমন্ত্রীকে এ দুটি পুরস্কারে ভূষিত করে।

এর আগে শনিবার লন্ডন থেকে দেশে ফিরলে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে বিপুল গণসংবর্ধনা দেয় তার দল আওয়ামী লীগ।

কেবি