বাংলাদেশে দুর্বলের উপর সবলের র্নিযাতন চলছে।হত্যাকান্ড ঘটিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অপরাধী কি ভাবে বিদেশে চলে যাচ্ছে বলে প্রশ্ন রাখেন সেব দ্যা চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর অব বাংলাদেশের ম্যাক কার্ল।
বুধবার জতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাইঞ্জে চাইল্ড রাইটস এ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ আয়োজিত রাজন, রাকিব সহ সম্প্রতি শিশুদের উপর সংঘটিত সকল সহিংসতা ও নৃশংসতার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া শিশু নির্যাতন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পৃথিবির সব রাষ্ট্রেই শিশু র্নিযাতনের ঘটনা ঘটে। অন্যান্য দেশে নির্যাতনের সাথে যারা জড়িত তারা সকলেই জন্মগত ভাবে অপরাধ প্রবণ।আর বাংলোদেশে এই ধরণের নির্যাতনের সাথে জড়িতরা সমাজের বিত্তবান মানুষ। এমনকি প্রশাসনের অনেকেও এর সাথে জড়িত বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।
শিশু নির্যাতনের সাথে জড়িতদের নরপশুর চেয়েও জগণ্য আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, শিশুরা নিষ্পাপ, অথচ তাদের কে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। এই হত্যাকান্ডের সাথে যারা জড়িত সরকার যাতে তাদেরকে দেশের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি দেন। প্রয়োজনে তাদেরকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা হোক।
সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নির্যাতন বৃদ্ধিতে আমরা উদ্বিগ্ন জানিয়ে বিচার আইনও শালিস কেন্দ্রর চেয়্যারম্যান সুলতানা কামাল বলেন, বার বার শিশু র্নিযাতনের ঘটনা ঘটার মূল কারণ অপরাধীরর শাস্তি না হওয়া।
তিনি বলেন, শিশু নির্যাতনের পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র ও পুলিশের নিরব ভূমিকা অনেক সময় পরোক্ষ ভাবে এমন ঘটনা ঘটাতে সহায়তা করছে।
শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে রাজনৈতিক দলগুলোর কোন ভূমিকা দেখা যাচ্ছেনা জানিয়ে জনগণের প্রতি শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলারও আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সুশাসনের জন্য নাগরিক এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, অধিকার ফোরাম এর সভাপতি আব্দুস সোবহান, চাইল্ড রাইটস এ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশের সদস্য বুলবুল প্রমূখ।
এমএ





