এ বিষয়ে মতামত চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গত ৩ আগস্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব/সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০০৪’ এর ধারা ৬ এর দফা (থ) এ ‘সময় সময় ও অবস্থার প্রেক্ষিতে যৌক্তিক, বাস্তবধর্মী ও অধিকতর কল্যাণমুখী নতুন নতুন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ’ এবং ধারা-১৮ এ ‘বোর্ড বিমা কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য জীবন বিমা করিতে পারিবে’।
এতে আরও বলা হয়, আইনের এ বিধান অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিমা সেবার আওতায় আনতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের অধীনে একটি স্বতন্ত্র বিমা কোম্পানি গঠনের উদ্দেশে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তসহ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ৩৫তম বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হয়।
সভায় স্বতন্ত্র বিমা কোম্পানি গঠনের প্রয়োজনীয়তা/যৌক্তিকতা, জীবন বিমা করপোরেশন থেকে পাওয়া প্রস্তাব, সুবিধা-অসুবিধা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়-
এসব সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের অধীনে একটি স্বতন্ত্র বিমা কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও জানানো হয়, প্রস্তাবিত স্বতন্ত্র বিমা কোম্পানি গঠনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের সব সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য বিধায় রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ তথা সব স্টেকহোল্ডারদের মতামত প্রয়োজন।
এ অবস্থায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিমা সেবার আওতায় আনতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের অধীন একটি স্বতন্ত্র বিমা কোম্পানি গঠনের প্রস্তাবের বিষয়ে আগামী ২৭ আগস্টের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামত ই-নথিতে পত্রজারির মাধ্যমে বা [email protected] ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানোর জন্য চিঠিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এমবি





