কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে।
পুলিশের দাবি, জিয়া মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে ২১টি মামলা রয়েছে।
রবিবার (২৫ নভেম্বর) ভোরে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কের নোয়াখালী পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, জিয়া টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ১২টি মাদক ও একটি অস্ত্রসহ ২১ মামলা রয়েছে এবং সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন, এসআই শরীফুল, মহাদি ও চটন দাস।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস বলেন, জিয়ার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মেরিন ড্রাইভ সড়কে অভিযানে গেলে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। পরে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পিছু হটলে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জিয়াকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি অস্ত্র, তিনটি এলজি অস্ত্র, ২ রাউন্ড গুলি ও ২০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
জেড





