দেশে আইএসের অস্তিত্ব নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া।

নাটোরে খ্রিস্টান দোকাননদার ও ঝিনাইদহে হিন্দু পুরোহিত হত্যার কয়েকদিনের মধ্যে একই কায়দায় পাবনায় মন্দিরের সেবক নিত্যরঞ্জন পাণ্ডেকে হত্যার দিন শুক্রবার গাইবান্ধায় ডেপুটি স্পিকার একথা বলেন।

বিভিন্ন সময় দেশে ঘটানো এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব কখনও মধ্যপ্রাচ্যের জঙ্গিদল আইএস, আবার কখনও আল কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার (একিউআইএস) স্বীকারের খবর এলেও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার দেশে আইএসের অস্তিত্ব অস্বীকার করা হচ্ছে।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, একই কায়দায় দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে, তার সঙ্গে জামায়াত-বিএনপি জড়িত। দেশকে অস্থিতিশীল করতে তারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে।

ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে একটি পক্ষ হামলা চালিয়ে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদে ভাংচুর করে গত সোমবার। শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফজলে রাব্বী মিয়া।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, অপরাধীরা পুলিশের সহযোগিতায় এ ধরনের কাজ করেছে।

“এত বড় একটি ঘটনা ঘটল অথচ পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলো পরে। এছাড়া ঘটনার চার দিন পরেও পুলিশ একজনকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি।”

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সফিউজ্জামান ভূইয়া, ওসি খায়রুল বাশার ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের বাজে ফুলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট পুণ-গণনার দাবিতে গত ৬ জুন উপজেলা পরিষদের ৭/৮টি অফিস ভাংচুর করা হয়।

পরদিন এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম সেলিম পারভেজসহ ৫৭ দলীয় নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি করে ফুলছড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

এফএফ