ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ডোর-টু-ডোর হোল্ডিং গণনা ও নম্বর প্লেট স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করছে। একই সঙ্গে টেন্ডার জালিয়াতি রোধ করতে ই-টেন্ডারিং কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছে ডিএনসি।

সোমবার  গুলশানে ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রশাসক মো. ফারুক জলীল ডোর-টু-ডোর হোল্ডিং গণনা ও নম্বর প্লেট স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মমতাজ উদ্দিন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গাজী ফিরোজ রহমান, অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ মোহম্মদ নুরুজ্জামান,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রত্যাশা সমাজ উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর, সুসমাজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মুজিব উদ দৌলা সরদার, রেডির নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম, ডিজিটালটেকের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফকত উল্ল্যাহ প্রমুখ।

প্রশাসক মো. ফারুক জলীল বলেন, ‘বর্তমানে ডিএনসিসির আওতায় ১ লাখ ৬৪ হাজার হোল্ডিং রয়েছে। তবে ডিজিটাল হোল্ডিং গণনায় এ সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। ফলে এর মাধ্যমে সংস্থার রাজস্ব আয় বাড়বে। নগরবাসী কোনো জটিলতা ছাড়াই এর মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারবেন।

তিনি বলেন,   ৩টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রত্যাশা সমাজ উন্নয়ন সংঘ, সুসমাজ ফাউন্ডেশন ও রেডি এবং ডিজিটালটেকে ৩ মাসের মধ্যে  হোল্ডিঙ গণনা কার্যক্রম শেষ করতে বলা হয়েছে। প্রতিটি বাড়ির হোল্ডিং নম্বরের পাশাপাশি প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্যও সাব-হোল্ডিং নম্বর দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রশাসক মো. ফারুক জলীল বলেন, একই সঙ্গে ইলেক্ট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট পোর্টালের মাধ্যমে  ডিএনসিসির ইলেক্ট্রনিক টেন্ডারের (ই-টেন্ডার) কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, ‘বিদেশ কিংবা ঘরে বসেই যে কেউ টেন্ডারের আবেদন ফরম পূরণ করে তা জমা দিতে পারবেন। এতে করে মানুষের ভোগান্তি কমবে অন্যদিকে টেন্ডার কার্যক্রমে স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হবে।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আরো ৪ মাস আগ থেকেই ডোর-টু-ডোর হোল্ডিং গণনা ও নম্বর প্লেট স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। কিন্তু রাজস্ব বিভাগের বেশ কয়জন কর্মকর্তা এবং এলাকাবাসী এ কার্যক্রম নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেছেন। শুধু প্লস্টিকের নম্বার প্লট দিয়ে ৪/৫ শত টাকা করে নিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদাররা। তবে ডিএসসিসির বেধে দেয়া রেট ৩৬২ টাকা। আর ঢাকা উত্তর সিটির প্লস্টিকের নম্বর প্লেটের রেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭০ টাকা।

একে,