৩৯ কার্যদিবস চলার পর জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশন শেষ হয়েছে। ১৯ জানুয়ারি অধিবেশন শুরু হয়েছিল।

অধিবেশন সমাপ্তি সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির ঘোষণা পাঠের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় জাতীয় সংসদের দীর্ঘতম পঞ্চম অধিবেশন সমাপ্ত করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের বক্তব্যের পর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়।

প্রাথমিকভাবে সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটিতে ৫ মার্চ পর্যন্ত অধিবেশন পরিচলনার সিদ্ধান্ত হয়। পরে স্পিকার সংসদ নেতার সঙ্গে আলোচনা করে অধিবেশনের মেয়াদ বাড়ান।

বছরের প্রথম অধিবেশনে রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ভাষণ দেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনা ছিল ৩৯ কার্যদিবসের মূল কার্যসূচি। ৫৮ ঘণ্টা ২৬ মিনিট ধরে অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় বিরোধী দলের ৩৭ জন এবং স্বতন্ত্র সদস্যসহ ২৩৬ সংসদ সদস্য আলোচনায় অংশ নেন।

পঞ্চম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০৭টি প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রধানমন্ত্রীর ১৯২টি উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত চার হাজার ৭৯৬টি প্রশ্নের মধ্যে তিন হাজার ৬৭৫টি প্রশ্নের উত্তর দেন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা।

পঞ্চম অধিবেশনে আটটি বিল পাস হয়। ১১টি বিল উত্থাপিত হয়। তিনটি বিল সংসদীয় কমিটির বিবেচনাধীন আছে। এর মধ্যে একটি বেসরকারি বিল রয়েছে। পঞ্চম অধিবেশনে জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ৭১(ক) বিধিতে আনীত ১৩০টি নোটিশ আলোচিত হয়। ৬৮ বিধিতে হরতাল-অবরোধকালে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া সংসদে আলোচনার জন্য ৭১ বিধিতে ৫২৯ জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ জমা পড়ে। এর মধ্যে ৩০টি নোটিশ গৃহীত হয়। নয়টি নোটিশ আলোচিত হয়।

এএইচ