বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) শিক্ষার্থীরদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় চার কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অপরদিকে নগর পুলিশের তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন রোববার সংশ্লিষ্ট দফতরে জমা দেওয়া হয়।
বাড়াবাড়ির প্রমাণ মেলায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলে জানান তদন্ত কমিটির প্রধান উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) শোয়েব আহমেদ পিপিএম।
তিনি আরও জানান, আইএইচটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, পথচারী, মেডিকেল কলেজের সামনের ওষুধ ব্যবসায়ী, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৪৭ জনের সাক্ষ্য নিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। দোষীদের মধ্যে স্পেশাল আমর্ড ফোর্সেস শাখার কনস্টেবল (১১৮৮) খলিলুর রহমান, কনস্টেবল (৯৪৮) নূরে আলম, কনস্টেবল (৮৫৫) রফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল (৪৮৬) আনোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়।
অপরদিকে রিজার্ভ ফোর্সের আরআই মো. আবু জাফর, মহিলা পুলিশ ব্যারাকের ইনচার্জ এসএম সরোয়ার হোসেন ও কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ৩ নভেম্বর ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে আইএইচটির শিক্ষার্থীরা নগরীর বান্দ রোড অবরোধকালে পুলিশের লাঠিচার্জে ৩০ শিক্ষার্থী আহত হয়। এ ঘটনায় ৪ ডিসেম্বর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
জেআই





