প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচন কমিশনে আলোচনার পর প্রস্তাবিত ধারাগুলো সংশোধনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আইন মন্ত্রণালয় সবকিছু ঠিক করে সংসদে পাঠাবে। এরপর তা সংসদে পাস হবে। তবে আসন্ন সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবগুলো পাঠানো সম্ভব হবে কি-না নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ৩০ আগস্ট আরপিও নিয়ে পরবর্তী বৈঠক হবে।

রোববার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে আরপিও সংশোধন নিয়ে ইসির ৩৫তম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।

এদিকে, বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুব কাছে চলে আসায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের খুব একটা সুযোগ থাকছে না। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। এই অধিবেশনই বর্তমান সরকারের বিদায়ী অধিবেশন ধরা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আরপিও সংশোধনীর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইভিএম ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে। আরও কয়েকটি বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হবে কোন কোন ধারা পরিবর্তন আনা হবে। ১৯৭২ সংশোধন নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে ইসি। তবে কোন কোন ধারায় পরিবর্তন আসছে তা এখনো বলা যাচ্ছে না।

জানা গেছে, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিধান যুক্ত করতে আরপিও সংস্কারের জন্য নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। বৈঠকে আরপিও সংশোধন অনুমোদন পেলে তা আইনমন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর তা মন্ত্রিসভার অনুমোদন শেষে সংসদের আসন্ন অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।

সংসদের ২২তম অধিবেশন বসছে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছরের ২৮ জানুয়ারি। এছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষে একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হবে।