রাজধানীর বাড্ডায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের তিন নেতার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের ময়নাতদন্ত শেষ হয়।
এর আগে, বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমরানুল হাসান তাদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।
পরে বিভাগীয় প্রধান ডা. হাবিবুজ্জামান চৌধুরী সংবাদ সম্মেলন করে জানান, তিনজনই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। কাছ থেকে তাদের গুলি করা হয়। গামা ও মানিক উভয়ের শরীর থেকে একটি করে গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। আর শামসুর শরীর ভেদ করে চলে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে পিস্তল দিয়ে তাদের গুলি করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বাড্ডার আদর্শনগর পানির পাম্প এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ঢাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শামসু মোল্লা ও উত্তর বাড্ডার হাফ জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপক ফিরোজ আহমেদ ওরফে মানিক (৪০)।
ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ দু’জন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান গামাও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। চতুর্থজন সালাম বর্তমানে ঢামেকে চিকিৎসাধীন।
এদিকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এমপি পঙ্কজ বেদনাথ শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী যারা স্বাধীনতা চাননি তারাই গুপ্তহত্যার পথ বেছে নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। সুষ্ঠু একটি পরিবেশ নষ্ট করতে এমন হামলা চালান হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ওই হামলা হয়েছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কোনো সুযোগ নেই। এমটি হয়েছে বলে আমরা মনে করি না।
এআর





