ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়কে ৭টি বাস ভাংচুর করেছে সন্ত্রাসীরা। চাঁদা না দেওয়ার জের ধরে সোমবার সন্ত্রাসীরা এ কর্মকাণ্ড চালায়। যাত্রী নামিয়ে দিয়ে অপহরণের দুই ঘণ্টা পর যাত্রীবাহী বাসসহ চালককে উদ্ধার করা হয়েছে।

দুপুর ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট এলাকা থেকে দিঘীরপাড় পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো জ-১৪-০৪৫০) যাত্রীবাহী বাস ও চালক সোহেল মিয়াকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ থানা পুলিশ।

এদিকে, এ সব ঘটনার প্রতিবাদে মুন্সীগঞ্জ শহরের কাছে মুক্তারপুর এলাকায় সড়কে এলোপাতাড়ি বাস ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেছে পরিবহন শ্রমিকরা। এ ছাড়া সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আজ সোমবার বেলা ১১ টা থেকে শহরের লিচুতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে দিঘীরপাড় পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় শ্রমিকরা। এ সময় শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর এলাকায় বাস মালিক সমিতির ডাকে সড়কে এলোপাতাড়ি বাস ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে পরিবহন শ্রমিকরা।

ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়ক বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ বেপারী সড়কে ব্যাড়িকেড সৃষ্টি ও বাস চলাচল বন্ধের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সোমবার সকালে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ সড়কে নারায়ণগঞ্জের ফকির বাড়ি এলাকায় স্থানীয় দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে কতিপয় সন্ত্রাসী পাঁচ হাজার টাকা করে চাদা দাবী করে। চাদা না দেওয়ায় সাতটি বাস ভাংচুর ও বাসসহ চালক সোহেল মিয়াকে অপহরণ করে তারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে।

দুপুর ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট থেকে বাসসহ চালক সোহেলকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ছাড়া চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের আশ্বাস প্রদান করে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট কামরুল হাসান। এতে সড়ক থেকে ব্যারিকেড তুলে নেয় পরিবহন শ্রমিকরা। তবে এখনও সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এমকে