প্রধান সড়ক তলিয়ে চতুর্থ দিনের মতো বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটিসহ অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। সড়ক এবং প্লাবিত এলাকা থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে জেলায় প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় আছেন।
জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরী শনিবার এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, গত ছয় দিন ধরে (সোমবার থেকে) বান্দরবানে অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে জেলা সদরসহ লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।
জেলা প্রশাসক জানান, অব্যাহত বর্ষণে বান্দরবান-কেরানীহাট চট্টগ্রাম প্রধান সড়কের বরদুয়ারা এলাকায় সড়কে ৪.৫ ফুট বন্যার পানি জমেছে। সড়ক ডুবে যাওয়ায় চার দিন ধরে বন্ধ রয়েছে বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের যানবাহন চলাচল। এছাড়া পাহাড় ধসের ফলে সড়কে মাটি জমে যাওয়ায় রুমা ও থানছি উপজেলায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অব্যাহত বর্ষণে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলায় দুর্গতদের জন্য খোলা হয়েছে ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র। জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে জরুরীভাবে খোলা কন্ট্রোল রুম থেকে পরিস্থিতি সর্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়া পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।
জেআই





