শুধু মাত্র স্বামীর অধিকার চাইতে গিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেলহারা গ্রামে ঝিনুক দাস (২২) নামের এক তরুণী নির্মম নির্যাতনে শিকার হয়েছে। মারাত্মক জখম অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে তার পরিবার ।
উপজেলার আমজান খোর ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য লাজিবুদ্দীন কাল্টু জানায়, ইউপির সংরক্ষিত নারী সদস্য রওশন বেগমের স্বামী দিলবাহারের সাথে একই এলাকার রাজেন্দ্র দাসের মেয়ে ঝিনুক দাসের সম্পর্ক চলে দীর্ঘ চার বছর। তবে ঝিনুক দাবি করে প্রেমের সম্পর্ক ইতি টেনে বিয়ে করে গোপনে।
গত শনিবার (৩১.ডিসেম্বর ১৬)স্বামীর অধিকার চাইতে গিয়ে দিলবাহারের বাড়িতে যায় ঝিনুক দাস। বাড়িতে প্রবেশ করে স্ত্রী’র দাবি তুললে তার উপর শুরু হয় শারিরীক নির্যাতন। দিলবাহার ও তার লোকজন জখম করে বাড়ি থেকে বের করে দেয় ঝিনুক দাসকে।পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাজেন্দ্র দাস তার মেয়েকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনার পরদিন আহত তরুণী প্রতিকার চেয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানায় মামলা দিতে গিয়ে মামলা নেয়নি পুলিশ।
রাজেন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন,দিলবাহারের পক্ষ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তার মেয়েকে অপবাদ দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পর দিলবাহার কে এলাকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আকালু মোহাম্মদ বলেন,আগামী মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে বসা হবে। তবে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি সঠিক নয়।
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি মিটিংয়ে আছি।
পারভেজ/জারিফ





