প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে সুরমার নদীর পানি ষোলঘর পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে দুই শতাধিক গ্রামের মানুষ।
২৪ ঘণ্টায় ৬৮ মিলিমিটার গড় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার হাওর-বাওড় ও নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দোয়ারা উপজেলার বড়বন, রায়নগর, বাগড়া, লামাসানিয়া, রাখালকান্দি, শরিফপুর, বুজনা, নুরপুর, আলীপুর, সোনাপুরসহ ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার গোলাবাড়ি, জয়পুর, লামাগাও, ছিলাইনসহ প্রায় ৬০ টি গ্রাম এবং ধর্মপাশা উপজেলার জারাকোনা, শরিফপুর, ইসলামপুর, মিলনপুর, মামুদনগর, রাজেন্দ্রপুর, স্বরস্বতিপুর, তেলিগাঁও পানির নিচে।
এছাড়া দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্ববীরগাও ও পশ্চিমবীরগাও, শিমুলবাক ইউনিয়নের ৩৫টি গ্রাম, জামালগঞ্জ ও সদর উপজেলার ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ জানান, বিম্বরপুর, তাহিরপুর ও দোয়ারাবাজার উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তবে আশ্রয় কেন্দ্র খোলার মত কোন পরিস্থিতি এখনও হয়নি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হোসেন জানান, পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আমন ফসল ও সবজি চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ২১শত হেক্টর আমন জমি পানিতে ডুবে গেছে।
টানা বৃষ্টিপাতের ফলে জেলার সবকটি ছোটবড় নদীতে পানি বাড়ছে। হাওরগুলোতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় মানুষের দূর্ভোগ বেড়েছে।
ঢাকা, ২৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





