কেউ ভোট দেয়নি, তাই ভোট দিলেন পোলিং এজেন্ট। রোববার বেলা ১১টার পর্যন্ত কোনো ভোটার ভোট দিতে না যাওয়ায় প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট একটি ভোট দিয়ে দেন।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাপরাইল প্রাথমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
এ কেন্দ্রে ৩ হাজার ১০০ ভোটার রয়েছে। তৃতীয় ধাপে রোববার ঝিনাইদহের চার উপজেলায় নিরুত্তাপ ভোটগ্রহণ চলছে।
এর মধ্যে ২৫৫ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন অফিস। অন্যদিকে শৈলকুপা উপজেলার ১২০ কেন্দ্রের মধ্যে ১০০টি কেন্দ্র বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার বেলা ১১টা থেকে ঝিনাইদহের চার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটের সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১ হাজার ২১৯ পুলিশ সদস্য, এপিবিএন (পুলিশ) ৮০ জন, র্যাব সদস্য ৬৫ ও ১২ প্লাটুন বিজিবি এবং ৫ হাজার ৭৬ আনসার সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে।
এ ছাড়া একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ছয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮টি মোবাইল টিম এবং ৩টি স্টাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন অফিস।
এদিকে লক্ষ্মীপুরের ৫ উপজেলার ৪৫৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কেরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায়নি।
এই কেন্দ্রে ১ হাজার ৩১ মহিলা ভোটারের মধ্যে দুটি বুথে ৩টি ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং অফিসার কামরুল হাসান। আর পুরুষ বুথের চারটির একটিতেও কোনো ভোটই পড়েনি। বাকি তিনটিতে ৩০ ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে।
লক্ষ্মীপুর সদর, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর উপজেলার ৪৫৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মত নয় বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।
নির্বাচনী সহিংসতা এড়াতে ২৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে কাজ করছে।
এএস





