রোহিঙ্গাদের জন্য ৫৩ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে ভারত। এর মধ্যে চাল, ডাল, দুধসহ বিভিন্ন সামগ্রী রয়েছে। এর আগে মরক্কো থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ পাঠানো হয়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও দুটি ত্রাণবাহী কার্গো বিমান আসবে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা একটা ১১ মিনিটের দিকে ভারতের ত্রাণবাহী উড়োজাহাজটি এসে পৌঁছায়। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে ত্রাণ হস্তান্তর করা হবে। সেখানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলাও রয়েছেন।

এর আগে সকালে মরক্কো থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণবাহী একটি কার্গো বিমান এসে পৌঁছায়। বিমানটিতে ১৪ টন ত্রাণ ছিল। এগুলোর মধ্যে তাঁবু, কম্বল, ওষুধ, শিশুখাদ্য, ম্যাট্রেস এবং চাল রয়েছে।

বিমানবন্দরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মো. হাবিবুর রহমান মরক্কো থেকে আসা ত্রাণ গ্রহণ করেন। সেগুলো কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে।

হাবিবুর রহমান আরও জানান, সন্ধ্যা সাতটার দিকে রোহিঙ্গাদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার আরও দুটি ত্রাণবাহী কার্গো বিমান আসবে। আগামীকাল শুক্রবার ইন্দোনেশিয়া থেকে আরও দুটি ও ভারত থেকে আরও একটি ত্রাণবাহী উড়োজাহাজ আসবে।

উল্লেখ্য এর আগে, রোহিঙ্গা মুসলমানদের ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান ছিল একেবারে ভিন্ন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী সম্প্রতি মিয়ানমার সফর শেষে দেশে ফিরে দাবি করেন যে মিয়ানমারে উগ্র সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে।

মোদীর এমন বক্তব্যের ব্যাপারে নানা মহল থেকে অভিযোগ করা হয় যে রোহিঙ্গারা যদি মুসলমান না হয়ে হিন্দু হতো, মোদী কখনোই মিয়ানমার সফর থেকে ফিরে সন্ত্রাসবাদের গল্প বলতো না।

এবি সিদ্দিক