পদ্মায় ডুবে যাওয়া লঞ্চে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের তিন ভাগ্নিও ছিলেন।এর মধ্যে একজনের লাশ সোমবারই পদ্মা থেকে উদ্ধার করা হয়। বাকি দুজনেরও কোনো খোঁজ মেলেনি।

মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে এসে মন্ত্রী বলেন, 'লঞ্চডুবির ঘটনায় কোনো কোনো পরিবারের ১০ জন পর্যন্ত লোক নিখোঁজ হয়েছে। এমনকি আমার খালাতো বোনের তিন মেয়েও লঞ্চে ছিল। তাদের নাম স্বর্ণা, হীরা ও লাকি।'

এই তিনজনের মধ্যে নূসরাত জাহান হীরা (২০) শিকদার মেডিকেল কলেজের এমবিবিএসের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। আর ফাতেমাতুজ জোহরা স্বর্ণা (১৮) চলতি বছর শিবচরের শেখ ফজিলাতুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করে ঢাকার বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজে ভর্তি হন।

শিবচরের গুয়াতলা এলাকার নুরুল ইসলাম মুহুরীর দুই মেয়ে হীরা ও স্বর্ণা তাদের খালাতো বোন জান্নাত নাঈম লাকিকে নিয়ে সোমবার ঢাকা যাচ্ছিলেন। লঞ্চডুবির কয়েক ঘণ্টা পর হীরার লাশ উদ্ধার করা হয়। 

শাজাহান খান বলেন, 'আমি প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারিনি। পরে আমার স্ত্রী আমাকে জানায়।'

মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া আসার পথে সোমবার বেলা ১১টার দিকে ডুবে যায় পিনাক-৬ নামের লঞ্চটি।

মঙ্গলবার পর্যন্ত নদী থেকে কেবল দুইজনের লাশ পাওয়া গেছে। স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ১২৭ ‘নিখোঁজ’ যাত্রীর একটি তালিকা করেছে।

ঢাকা, ৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ