রাজধানীর স্বনামধন্য বিদ্যালয় মোহাম্মপুর প্রিপারেটরি স্কুল ও কলেজে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বিক্ষোভ করছে অভিভাবকরা।
শনিবার সকাল থেকেই মোহাম্মপুরে বিদ্যালয়ের বালিকা শাখার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তারা।
বিক্ষোভকারীরা বিদ্যালয়ের বালিকা শাখার ইংরেজি বিভাগের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা জিন্নাতুননেছার পদত্যাগ দাবি করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন তারা। উত্তেজিত অভিভাবকরা এ সময় বিদ্যালয়ের গেটের সামনে ও জানালায় ভাঙচুর করেন।
এদিকে এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এখনও এসে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য ও বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. ম তামিম।
তিনি বলেন, গত ৫ মে পঞ্চম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে পাশের একটি নবনির্মিত ভবনের রুমে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে শারীরিক লাঞ্ছনার চেষ্টা করা হয় গত ৯ মে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে এ রকম একটি অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীর মা।
ওই অভিযোগকে আমলে নিয়ে আমরা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। কমিটিকে বলা হয়েছিলো তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য। ওই অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিলো আজ (শনিবার)। কিন্তু বিশেষ কারণে তা জমা দেয়া হয়নি।’
কেন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়নি সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্তের সময়সীমা আরও তিনদিন বাড়ানো হয়েছে। স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য ইতোমধ্যেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। স্কুলের প্রতিটি টয়লেটের সামনে একজন করে আয়া নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ছাত্রীরা কোনো সমস্যায় পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের জানাতে পারবে। এছাড়া স্কুলের দুই জন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও সাংবাদিকদের জানান ম. তামিম।
এদিকে বিক্ষোভের সময় রুমের বাইরে ভাঙচুর করেন অভিভাবকরা। এ সময় বিদ্যালয়ের বালিকা বিভাগের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা জিন্নাতুন্নেছার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে অভিভাবকরা বলেন, তার দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এসব হয়েছে। অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করেন অভিভাবকরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছিলো।
এমকে





