গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের স্ত্রী-সন্তানরা ৮ বছরেও অংশ সূত্রের জমি ফিরে পায়নি। বর্তমানে তারা নানার বাড়িতে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের সাথে ১৯৯৭ সালে বিয়ে হয় জুমারবাড়ি ইউনিয়নের আমদিরপাড়া গ্রামের মৃত আনছার আলীর মেয়ে আনিছা বেগমের।
বিয়ের বেশ কিছুদিন তাদের সংসার জীবন ভালই কাটছিল। তাঁর স্বামী নজরুল ইসলাম চাকুরী করার জন্য সৌদিআরব যান। এরপরই ঘটে বীপর্যয়, ২০০৭ সালে চাকুরী করা অবস্থায় নজরুলের মৃত্যু হয়। এই মৃত্যুই তাদের জীবনে বড় কাল হয়ে দাঁড়ায়।
শ্বাশুরী মজিরন বেগম সেই বীপদে কাল হয়ে আসেন, আনিছা বেগমের সাথে ওমানুষিক নির্যাতন চালাতে থাকে শ্বাশুরী।
এক পর্যায়ে নজরুলের স্ত্রী আনিছা বেগম নির্যাতন সইতে না পেরে ফিরে আসেন বাপের বাড়ী। শ্বশুর মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মাহিদুল, সাহিদুল ও মেয়ে মর্জিনার কাছে তার সন্তান ও তার নিজের অংশ সূত্রের প্রায় ২ বিঘা ও স্বামীর কবলাকৃত ৫ শতাংশ জমি দাবি করলে তারা তা দিতে অস্বীকার করে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। লুট করে ঘরের মালামাল। যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ টাকা।
বর্তমানে টাকার অভাবে আনিছা বেগমের এতিম মেয়ে মনির বগুড়া টি.এম.এস.এস মেডিকেল ইন্সটিটিউটে লেখাপড়া খরচ চালাতে পারছেনা।
এদিকে আনিছার মেয়ে মনি (১৮), মুক্তা (১৩) কে নিয়ে অতি কষ্টে পিত্রালয় আমদিরপাড়া গ্রামে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে আনিছা বেগম অবস্থান করছেন।
তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কোন ফল হচ্ছে না। বরং শ্বশুর বাড়ির লোকজনের হুমকীর মধ্যে রয়েছেন তারা।
এ ব্যাপারে গতকাল শনিবার আনিছা বেগমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, উক্ত জমি দখল ও উদ্ধারের জন্য থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এসএম/রুবেল





