ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় আগাম ধান কাটা শুরু হয়েছে। উপজেলার মাঠে মাঠে এখন পাঁকা ধানের সোনালী শীষে ক্ষেত খামার ভরে উঠেছে। কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং কৃষকের উৎপাদন খরচ না উঠার আশঙ্কায় উপজেলার কৃষকেরা চলতি বছর আমনের আবাদ কমিয়ে দিয়েছেন।
তবে প্রকৃতি এবার আমন চাষের উপযোগী হওয়ায় চাষীদের জন্য আর্শীবাদ হয়ে উঠে। আউশের মত আমন ধানেও এবার কৃষকেরা বাম্পার ফলনের আশা করছেন। মৌসুমের শুরুতেই ধানের দাম ভাল পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটে উঠেছে। গ্রামাঞ্চলে কৃষক-কৃষানীরা এখন ধানকাটা ও মাড়াই করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ড. খান মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, সদর উপজেলায় একটি পৌরসভাসহ ১৭টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে ২১,৩৮৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। আমন চাষে ফলন কম হওয়ায় এবং আউশ চাষে লাভবান হওয়ায় কৃষকেরা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। তার পরেও সদর উপজেলায় যে পরিমান জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে তাতে বাম্পার ফলন হলেও কৃষকেরা কাক্সিখত দাম পায় না।
কৃষকের ঘরে যখন ধান ফুরিয়ে যায় তখন ধানের বাজার বেড়ে যায়। যে কারণে কৃষক ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়। এ বছর সময় মত প্রকৃতির বৃষ্টির কারণে কৃষকের ফসল ভাল হয়েছে। বর্তমানে বাজারে ধানের দাম ভাল থাকায় কৃষকরে মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। এছাড়াও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকের পাশে থেকে সর্ব্বোচ্চ সেবা দিয়ে চলেছে।
জেআই





