জঙ্গি আস্তানা হিসেবে অভিযান চালানো সীতাকুন্ডের ওই বাড়িতে কারা রয়েছে তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। বুধবার দুপুরের পর থেকে পুলিশ বাড়িটিকে ঘিরে রেখেছে। প্রথম অবস্থায় সন্দেহভাজন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিশুসহ এক জঙ্গি দম্পতিকে আটক করে পুলিশ।
পরে তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে ওই বাড়ির ঠিক অদূরেই আর একটি বাড়িতে অভিযান চালাতে গেলে জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ হ্যান্ড মাইকে বার বার আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালেও তারা পুলিশের সে আহ্বানে সাড়া দেয়নি। শক্তি বৃদ্ধি করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম সেখানে অবস্থান করলেও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে ডিএমপির স্পেশাল সোয়াত টিম চট্টগ্রামের পথে রয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ এবং উৎসাহী জনগণের মধ্যে একদিকে যেমন আতঙ্ক বাড়ছে, তেমনি কারা ওই বাড়িতে রয়েছে তা নিয়েও জল্পনা কল্পনা চলছে।
স্থানীয় লোকজন বলছেন, যেহেতু তারা পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলি করেছে সেহেতু তারা ভারি অস্ত্র নিয়েই ভেতরে অবস্থান করছে। সে কারণে পুলিশ ধৈয্য সহকারে পরিস্থিতি বিবেচনা করে মূল অভিযান শুরু করবে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ধারণা করা হচ্ছে নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কেউ থাকতে পারেন সেখানে। এ কারণে সতর্কতার সঙ্গে তারা পরিস্থিতি মোকাবেলা করছেন। তবে ওই বাড়িতে যারাই থাকুক না কেন, আমাদের নির্দিষ্ট একটি টাইম লাইন রয়েছে। ওই টাইম লাইন অতিক্রম করা হবে না। এরমধ্যে আমরা অভিযান শুরু করব।
দুপুরের পর থেকে ওই এলাকায় ঘিরে উৎসুক জনতা যেভাবে ভীড় করেছেন, তাদের মধ্যে একটাই আলোচনা- ওই বাড়িতে নিশ্চয়ই কোনো জঙ্গি নেতা অবস্থান করছে। তবে এর জন্য তারা অভিযান শেষ করা পর্যন্ত থাকবেন বলেও কেউ কেউ জানিয়েছেন।
এমই/মাসুম





