জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। যমুনার পানি কিছুটা কমলেও রোববার সকালে বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ব্রহ্মপুত্রসহ, ঝিনাইসহ শাখা নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জামালপুর সদরের বেশ কিছু এলাকায় নতুন করে বাড়িঘর ও ফসলি জমি বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।
পানির চাপে রাস্তা দেবে যাওয়ায় মেলান্দহ-মাহমুদপুর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
রাস্তায় পানি উঠে ব্রিজ-কালভাট ভেঙে যাওয়ায় ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া, চিনাডুলী, বেলগাছা, কুলকান্দি, পাথর্শী এই পাঁচটি ইউনিয়নে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
দীর্ঘ দুই সপ্তাহের বেশী সময়ের বন্যায় জেলার পানিবন্দি আড়াই লাখ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ছড়িয়ে পড়েছে জ্বর,সর্দি, চর্মরোগসহ পানিবাহিত রোগ।
জামালপুরের জেলা প্রশাসক মো. শাহাবুদ্দিন খান জানিয়েছেন, রোববার বন্যা দুর্গতদের জন্য আরও ৬১ মে.টন চাল ও সাড়ে ৪ লাখ টাকার শুকনো খাবার বরাদ্দ করেছে। এ নিয়ে জেলায় সবমিলিয়ে বন্যাদুর্গতরে জন্য ২০২ মে.টন চাল ও সাড়ে ১৫ লাখ টাকার শুকনো খাবার বিতরণ করা হলো।
ঢাকা, ৩১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





