ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ৫ বছরে ৪৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ২৪৪ জন নিহত হয়। এ সব দুর্ঘটনায় আহত হয় ১০২৪ জন। ২০১০ সালের শুরু থেকে ২০১৪ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে রয়েছে বিশিষ্ট চলচিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ, চিত্র সাংবাদিক মিশুক মুনীর এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব রাজিয়া বেগম ও বিসিকের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান।
এসব দুর্ঘটনার বেশির ভাগই ঘটেছে মহাসড়কে অতিরিক্ত ঝুকিপূর্ণ বাঁক থাকার কারণে। দুর্ঘটনা রোধে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ওই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ১১টি বাঁক প্রশস্তকরণ এবং সেখানে গতিরোধক নির্মাণের উদ্যোগ নেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ।
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক প্রশস্ত ও গতিরোধক নির্মাণ হওয়ায় দীর্ঘ প্রায় আট মাসে এ সড়কে দুর্ঘটনা অনেক কমে গেছে।
২০১০ সালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে ১৪৩টি। এই দুর্ঘটনায় মারা যায় ৮৮ জন। আহত হয় ৩২০ জন। এর মধ্যে ছিল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব রাজিয়া বেগম ও বিসিকের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান।
২০১১ সালে ১৭৫টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয় ৯৬ জন। আহত হয় ৪২১ জন। এর মধ্যে ছিল বিশিষ্ট চলচিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও চিত্র সাংবাদিক মিশুক মুনীর।
২০১২ সালে দুর্ঘটনা কমে হয় ৮১ টি। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয় ৩১ জন। আহত হয় ১১০ জন।
২০১৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে ৬৮টি। এতে নিহত হয়েছে ২৫ জন এবং আহত ১৩২ জন।
সর্বশেষ ২০১৪ সালের জুলাই মাস পযন্ত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩০টি। এতে নিহত হয়েছে ৪জন ও আহত হয় ৪১ জন।
তবে সরকারি হিসেব মতে ৫ বছরে ঢাকা আরিচা মহসড়কের বিভিন্ন স্থানে নিহতের সংখ্যা ২৪৪ জন হলেও বাস্তবতায় এর পরিমাণ আরও অনেক বেশি হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মাধ্যম।
এই মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে অতিরিক্ত ঝুকিপূর্ণ বাঁক প্রশস্তকরণ সহ ডিভাইডার নির্মাণ করায় দুর্ঘটনা অনেক কমে গেছে বলে মনে করেন যানবাহন চালক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান জানান, যোগাযোগ মন্ত্রাণালয়ের নির্দেশে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ১১টি বাঁক প্রশস্তকরণ ও ডিভাইডার সহ একটি ইন্টারসেকসন নির্মাণ করা হয়েছে।
দীর্ঘ প্রায় আট মাস সময়ে এসব উন্নয়ন মূলক নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি টাকা।
ঢাকা, ১৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





