ঢাকার ধামরাইয়ে ছাদ কেটে সোনালী ব্যাংকের শাখায় ডাকাতির চেষ্টা ও র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে এই মামলা করা হয়েছে।

ধামরাই থানার ওসি রিজাউল হক শনিবার জানান, র‌্যাব-৪ এর ওয়ারেন্ট অফিসার বদরুদ্দিন আহম্মেদ শুক্রবার গভীর রাতে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি চেষ্টা ও অপমৃত্যুর চারটি মামলা করেছেন।

র‌্যাব-৪ এর এসআই সুপ্রভাত মণ্ডল জানিয়েছেন, ধামরাইয়ের চারতলা রিয়াজ উদ্দিন মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় সোনালী ব্যাংকের শাখা অবস্থিত। তার ঠিক ওপরের তলার ফ্ল্যাটটি মাস তিনেক আগে ভাড়া নেন মাসুক ও আটককৃতদের কয়েকজন।

তারা নিজেদের একই পরিবারের এবং পোশাক কর্মী বলে পরিচয় দেন। তৃতীয় তলার মেঝে, অর্থাৎ দ্বিতীয় তলার ব্যাংকের ভল্টের ছাদ কেটে ভেতরে ঢুকে লুটের পরিকল্পনা ছিল তাদের। একজন মানুষ নামতে পারে এমন মাপের একটি গর্তও তারা তৈরি করে। রাতেই তারা ভল্টে নামতে পারে-এই তথ্য পেয়ে রাত তিনটার দিকে র‌্যাব সদস্যরা ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে ওই বাসা থেকে র‌্যাবের দিকে গুলি ছোড়া হয়। র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। মাথায় গুলি লেগে মাসুক নিহত হন।

র‌্যাবের কর্মকর্তা জানান, পরে ভবনে ঢুকে কংক্রিট কাটার সরঞ্জাম, একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি ম্যাগাজিনসহ ছয়জনকে আটক করা হয়। দেড় বছর আগে গাজীপুরে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের একটি শাখায় একইভাবে চুরির সঙ্গে এরা জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

ওএফ