সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের শেষকৃত্যানুষ্ঠান আজ সন্ধ্যা ছয়টায় জন্মভিটায় সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার বিকাল ৩টায় নির্বাচনী এলাকা শাল্লা ও বিকাল ৪টায় জন্মভিটা দিরাই পৌর সদরে আনোয়ারপুরের বাসভবনে তার মরদেহ এসে পৌঁছলে সর্বস্তরের শোকাহত জনতার উপস্থিতে এক হৃদয় বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ জগন্নাথ জিউর মন্দিরে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পৌনে পাঁচটায় বাসভবনের সামনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেয়া হয়। এরপর বাসা-সংলগ্ন বালুর মাঠে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাখা হয় সুরঞ্জিত সেনের মরদেহ। সেখানে ঘন্টাব্যাপী ফুলের তোড়া দিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বস্তরের শোকাহত হাওরবাসীর প্রিয় সেনবাবুকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান করা হয়।

শ্রদ্ধাঞ্জলী অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। সন্ধ্যা ছয়টায় জন্মভিটার সন্নিকটে নিজ পছন্দের জায়গায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের একমাত্র সন্তান সৌমেন সেন মরদেহে মুখাগ্নি দিয়ে দাহ কার্য শুরু করেন।

সুনামগঞ্জের দিরাই-শাল্লা থেকে '৭০-এর নির্বাচনের পর বারবার নির্বাচিত হয়ে আন্তর্জাতিক পার্লামেন্টারিয়ান হয়েছেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। পরিণত বয়সে হয়েছিলেন মন্ত্রী, কিন্তু ছোটকালের দুখু সেন দিরাই-শাল্লা তথা হাওরবাসীর কাছে আজীবন ছিলেন সেনবাবু নামে প্রিয়।

এমই